
কালের খবরঃ
গোপালগঞ্জে ফরিদপুর অঞ্চল উপযোগী বিনা উদ্ভাবিত জাত প্রযুক্তি সমূহ বিদ্যমান শস্যবিন্যাস অন্তর্ভুক্তিকরণ শীর্ষক দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অর্থায়নে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।আজ মঙ্গলবার (০৬ ডিসেম্বর) গোপালগঞ্জ ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির হল রুমে অনুষ্ঠিত এ দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদপুর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ খয়ের উদ্দিন মোল্যা।গোপালগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায়, বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহবুবুল আলম তরফদার, ময়মনসিংহ বিনার মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহবুবা কানিজ হাসনা, বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক ড. মো. আশিকুর রহমান, বিনার ফলিত গবেষণা ও সম্প্রসারণ বিভাগের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জুলকার নাইন বক্তব্য রাখেন।

এ কর্মশালায় কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভাগের একশো জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ৭০ জন, বিআরডিবির ৫ জনসহ মোট ১০০ জন রয়েছে।কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে গোপালগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হারুন অর রশিদ বলেন, বিনা শুধু জাত প্রযুক্তি নয়, মৌলিক গবেষণাও করে থাকে। কৃষি ও কৃষকের উন্নতির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে বিনা আরও এগিয়ে যাবে। বিনাকে এখন শতভাগ পারফেক্ট বলার কোনো সুযোগ নেই। আজ আমরা যেসব তথ্য পেলাম তা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবো।
ফরিদপুর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ খয়ের উদ্দিন মোল্যা বলেন, ভালো জিনিস যেন কৃষকের কাছে যায়। গবেষণার ফলাফল যত ভালো হোক, কৃষকের কাছে না গেলে তার কোনো মূল্য নেই। আমাদের কৃষি গবেষণার ৫০০–রও বেশি প্রযুক্তি রয়েছে। এই এলাকার জন্য যা ভালো, সেই প্রযুক্তি যদি আমরা বাছাই করে কৃষকের কাছে নিয়ে আসতে পারি, যে পদ্ধতিতে কৃষকের কাছে যাবে, সেই পদ্ধতি যদি উদ্ভাবন করতে পারি, তাহলে কৃষকরা উপকৃত হবে।
Design & Developed By: JM IT SOLUTION