
কালের খবরঃ
আমি জনগণের সেবা করতে নির্বাচনে এসেছি। আমার সংসার ধর্ম নেই। ৫৫ বছর বয়সে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই নাই। বিবাহ করার ইচ্ছেও আমার নেই। আমি একজন মানবাধিকার কর্মী। খেটে খাওয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠী নিয়ে আমার কাজ। তাদের সুখ দুঃখে পাশে থাকাই হচ্ছে আমার প্রত্যয়। এমন কথা বলে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থণা করছেন, গোপালগঞ্জ-০২ আসনের ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী, অ্যাডভোকেট উৎপল বিশ্বাস। এছাড়া তিনি আসন্ন নির্বাচনে জয়লাভের জন্য শক্তিশালী প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তার নির্বাচনী প্রচারণার মূল লক্ষ্য হলো, শিক্ষা ও কৃষি উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে জনগণের উন্নতির পথে নিজেকে আত্মনিয়োগ করা। তিনি ভোটারদের কাছে এ সংক্রান্ত বিশেষ ১০ দফা ইস্তেহার তুলে ধরছেন।
অ্যাডভোকেট উৎপল বিশ্বাস তার নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জ-০২ এর প্রতিটি ভোটারের কাছে এবং দ্বারে দ্বারে গিয়ে সমর্থন চাচ্ছেন এবং সবার কাছে দুই হাত জোড় করে ভোট প্রার্থনা করছেন। এ সময় তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, নির্বাচিত হলে তিনি শুধুমাত্র রাজনৈতিক নয়, শিক্ষা সংস্কৃতি সামাজিক এবং অর্থনৈতিক দিক থেকেও জনগণের উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন। তার নির্বাচনী ইস্তেহারে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে, যা আগামীতে স্থানীয় জনগণের জন্য ব্যাপক কল্যাণ বয়ে আনবে।
প্রতিশ্রুত ১০ দফা পরিকল্পনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, প্রান্তিক জনগণের জন্য সংরক্ষণ আদায়। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও প্রান্তি জনগণের জন্য সংরক্ষণ আদায় এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা। স্থায়ী কৃষি কমিশন প্রতিষ্ঠা। কৃষকদের সুবিধার জন্য একটি স্থায়ী কৃষি কমিশন গঠন, যাতে কৃষি খাতে সঠিক দিকনির্দেশনা ও উন্নয়নমূলক কাজ করা যায়। শিক্ষা কমিশন ও শিশু কমিশন গঠন। দেশে শিক্ষাব্যবস্থার মান উন্নয়ন এবং শিশুদের অধিকার রক্ষায় একটি শিক্ষা কমিশন ও শিশু কমিশন গঠন করা।
নারী কমিশন ও সংখ্যালঘু কমিশন। নারীদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং উন্নয়নে নারী কমিশন গঠন, এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কল্যাণে সংখ্যালঘু কমিশন প্রতিষ্ঠা।সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সমঅধিকার। সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তোলা।কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন। আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি, সার, বীজ এবং কৃষকদের জন্য অন্যান্য সহায়তা সহজলভ্য করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা।গণশিক্ষার আওতায় মানসম্মত শিক্ষা। গোপালগঞ্জে প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা, এবং প্রাথমিক শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া।
বাজেট বরাদ্দের সুষম বণ্টন। সরকারী বাজেটের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা, যাতে প্রতিটি এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে যায়।দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য সংসদীয় তহবিল। দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সংসদীয় তহবিল গঠন, যাতে তাদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাওয়া যায়।
অ্যাডভোকেট উৎপল বিশ্বাস বলেন, এসব প্রতিশ্রুতি শুধু গোপালগঞ্জ-০২ আসনের জনগণের উন্নতি আনবে তা নয়। সারা দেশের মানুষ উপকৃত হবেন,এমনটাই আমার বিশ্বাস। তিনি চান, জনগণ শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তনই নয়, একটি সমাজকল্যাণমুখী, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির উন্নয়ন দেখতে পাক। এটাই আমার চাওয়া পাওয়া।
Design & Developed By: JM IT SOLUTION