বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সড়কজুড়ে দোকান, ফুটপাতেও দখল—মাদানী অ্যাভিনিউয়ে দুর্ভোগ বাল্যবিবাহ বর্তমানে সমাজে একটি ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে- এমপি, এস এম জিলানী অনুষ্ঠান আসলেই একটা গোষ্ঠী বিশৃঙ্খলা ঘটাতে চেষ্টা করে- এস এম জিলানী গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত শামুকের খোঁজে বিলজুড়ে মানুষ, নিঃশেষের পথে জলজ জীববৈচিত্র্য|সংরক্ষণের দাবি শিক্ষার্থীদের জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে- এস এম জিলানী গোপালগঞ্জে ৩ লাখ ৩১ হাজার ৭৬৭ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড উচ্চ নির্মাণ ব্যয় ও ঋণের সুদে থমকে যাচ্ছে আবাসন প্রকল্প এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্রীড়া বিকাশে সায়েম সোবহান আনভীরের উদ্যোগ বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তায় ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন ৪০ নারীর

বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের পরও থামেনি লড়াই, বাঁচতে আরও ২৫ লাখ টাকা প্রয়োজন গোবিপ্রবি শিক্ষকের

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ২.০৫ পিএম
  • ১৩৭ Time View
163

কালের খবর ডেক্সঃ

মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে চলছেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ফেরদৌস। নিজের জমানো অর্থ ও আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে ইতোমধ্যে ভারতের কলকাতার টাটা মেডিকেল সেন্টারে তার বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্ন হয়েছে। তবে এরপরও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি তিনি। বরং ক্যান্সার-পরবর্তী নানা জটিলতায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে চিকিৎসার ব্যয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রয়োজন। এ জন্য এখন তার আরও অন্তত ২৫ লাখ টাকা প্রয়োজন।

২০২৪ সালের মার্চে অধ্যাপক ড. গোলাম ফেরদৌসের শরীরে ক্যান্সার শনাক্ত হয়। ওই বছরের ডিসেম্বরে কলকাতার টাটা মেডিকেল সেন্টারে তার বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্ন হয়। এরপর চিকিৎসকের নিয়মিত তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি।

গত ২৬ জুন ২০২৬ তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে ভারতের টাটা মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানে টানা ১৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকতে হয় তাকে। এর মধ্যে আট দিনই তাকে আইসিইউতে কাটাতে হয়েছে। এ চিকিৎসায় প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয় হয়।

চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ড. গোলাম ফেরদৌস বলেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রতি মাসে একবার করে ছয় মাস IVIG ইনজেকশন নিতে হবে। প্রতিটি ডোজের মূল্য প্রায় ২ লাখ ৪ হাজার টাকা। ছয়টি ইনজেকশনের জন্য প্রয়োজন ১২ লাখ ২৪ হাজার টাকা। এর পাশাপাশি নিয়মিত ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ এবং অন্যান্য চিকিৎসা ব্যয়ও রয়েছে। সব মিলিয়ে আগামী দিনের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে আরও অন্তত ২৫ লাখ টাকা প্রয়োজন।

ইতোমধ্যে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট, দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা এবং সর্বশেষ নিউমোনিয়ার চিকিৎসায় বিপুল অর্থ ব্যয় হওয়ায় পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। ঋণের বোঝায় বিপর্যস্ত পরিবারটির পক্ষে এই বিপুল চিকিৎসা ব্যয় বহন করা এখন একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এ অবস্থায় ড. গোলাম ফেরদৌসের পরিবার প্রধানমন্ত্রী, ইউজিসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দেশের সব সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি গবেষণা কাউন্সিলভুক্ত প্রতিষ্ঠান, কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনসহ দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ড. গোলাম ফেরদৌস বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে ২০১৮ সালে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ২০২১ সালে তিনি সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান এবং সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তিনি বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের উন্নয়নমূলক অনুষ্ঠানে উপস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন। আর্থিক সহায়তা পাঠানোর মাধ্যমঃ ড. গোলাম ফেরদৌস,অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, জিএসটিইউ শাখা, গোপালগঞ্জ। সঞ্চয়ী হিসাব নং- ০২০০০১২৭৯৭৩৮৩বিকাশ (ব্যক্তিগত)-০১৭১২-৭৯৪২০৩।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Advertise

Ads

Address

Office : Sheikh Fazlul Haque Moni Stadium (2nd floor), Gopalganj-8100 Mobile: 01712235167, Email: kalerkhabor24.com@gmail.com
© All rights reserved 2022

Design & Developed By: JM IT SOLUTION