কালের কন্ঠ ডেক্সঃ
“রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে আজ রবিবার বর্ণাঢ্য র্যালি, মাছের পোনা অবমুক্ত, আলোচনা সভা ও মৎস্যচাষীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
আজ রবিবার (১৬ gfongt) সকালে জেলা পর্যায়ের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। পরে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবউল্লাহ ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কৌশিক আহম্মেদ।
এ সময় সিনিয়র সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবলা চক্রবর্তী, খামার ব্যবস্থাপক তানজিলা, অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম, সহকারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সায়েদুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, টুঙ্গিপাড়ায় উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে পৃথক কর্মসূচি পালন করা হয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির শুরু হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা অডিটরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে আলোচনা সভা ও মৎস্যচাষীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী। অনুষ্ঠানে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড়, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রকাশ বিশ্বাস, টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আইয়ুব আলী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানভীর আহমেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাগচী এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন আহমেদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম জিলানী বলেন, দেশীয় ছোট মাছ রক্ষায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্নভাবে দেশীয় মাছ ধ্বংস করা হচ্ছে। বিশেষ করে অবৈধভাবে মাছ শিকার ও প্রযুক্তির অপব্যবহার বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় প্রশাসন, মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি।
জাতীয় মৎস্য পক্ষের এসব কর্মসূচিতে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় মাছ সংরক্ষণ, আধুনিক মাছ চাষে উৎসাহ প্রদান এবং মৎস্য খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
Design & Developed By: JM IT SOLUTION