কালের খবর ডেক্সঃ
গোপালগঞ্জে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ব্র্যাক যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় কেন্দ্রের মাধ্যমে বর্তমানে ৮৮০ জন যক্ষ্মা রোগী চিকিৎসার আওতায় রয়েছেন। বিনামূল্যে রোগ নির্ণয়, পরীক্ষা ও ওষুধ প্রদানের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে সন্দেহভাজন রোগীদের শনাক্ত করে চিকিৎসার আওতায় আনার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
আজ বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে গোপালগঞ্জ জেলা শহরের পাঁচুরিয়া এলাকায় অবস্থিত ব্র্যাক যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্ক শোভন সরকার। পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রের এক্স-রে ও জিন এক্সপার্ট কক্ষ এবং বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ঘুরে দেখেন। এ সময় ব্র্যাকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জে বর্তমানে ৮৮০ জন যক্ষ্মা রোগী তাদের সেন্টারে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিনামূল্যে বুকের এক্স-রে এবং জিন এক্সপার্টের মাধ্যমে কফ পরীক্ষা করা হচ্ছে। রোগ নিশ্চিত হলে রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধও দেওয়া হচ্ছে।
মাঠপর্যায়ে ব্র্যাকের কর্মীরা ডোর টু ডোর কার্যক্রমের মাধ্যমে সন্দেহভাজন যক্ষ্মা রোগীদের শনাক্ত করছেন। এ সময় তাদের মধ্যে কফের পাত্র বিতরণ করে কফ সংগ্রহ করা হয় এবং তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। ফলে রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার আওতা বাড়াতে মাঠপর্যায়ের এই কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শোভন সরকার বলেন, যক্ষ্মা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ। রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে ব্র্যাক যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় কেন্দ্র অথবা নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা ও চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন। সময়মতো চিকিৎসা নিলে যক্ষ্মা থেকে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
তিনি আরো বলেন,পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একটি কেন্দ্রে বর্তমানে ৮৮০ জন রোগী চিকিৎসার আওতায় থাকা গোপালগঞ্জে যক্ষ্মা শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য পরিধি নির্দেশ করে।তাই যক্ষ্মা সংক্রামক রোগ হলেও সময়মতো শনাক্ত করে নিয়মিত চিকিৎসা নিলে এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।
Design & Developed By: JM IT SOLUTION