কালের খবরঃ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থী দাম্পত্য কলহের কারণে আত্মহত্যা করেছেন। নিহত শিক্ষার্থী নাম দীপা দাস, তিনি ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।গত ১৬ মার্চ, সোমবার বিকেল ৪টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরতলীর ঘোনাপাড়া গ্রামে তার নিজ বাসা থেকে দীপার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতের স্বামী ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দীপাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ)বিকেলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
জানা যায়, দীপা তার স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহে জড়িয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে দীপা তার স্বামী ও সন্তানকে একটি রুমে আটকে রেখে অন্য রুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন। তার স্বামী ও আশপাশের লোকজন এসে দরজা ভেঙে দীপাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা মুক্তা সাংবাদিকদের বলেন, আমরা সোমবার বিকেলে দীপার আত্মহত্যার খবর জানতে পারি এবং তার মরদেহ মর্গে দেখতে যাই।
দীপার এক সহপাঠী রিফাত ইসলাম বলেন, “দীপা অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী। স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার জেরেই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ সরোয়ার হোসেন জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। আমরা জানি যে, দাম্পত্য কলহের পর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।নতুন কোন অভিযোগ আসলে সেভাবে খতিয়ে দেখা হবে।
Design & Developed By: JM IT SOLUTION