বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টুঙ্গিপাড়ায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া; ইট-পাটকেলের আঘাতে আহত ১০ ইউনূস আমলেও পদায়ন নিয়ে ঘুষের অভিযোগ, বদলিতে লটারি নতুন পথ বসুন্ধরায় ফিলিং স্টেশন সংকটে বাড়ছে কুড়িল-খিলক্ষেতের যানচাপ আকাশসীমায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, ছয় মাসে ৪১৬ কোটি টাকা রাজস্ব শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জে বিশ্ব বসতি দিবস পালিত টুঙ্গিপাড়ায় এনসিপির কমিটি গঠনের ৮ দিন পর আহবায়কের পদত্যাগ কাশিয়ানীতে বাসচাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত গোপালগঞ্জে দোকান কর্মচারী হত্যার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন টেকসই আবাসন গড়তে সবুজ ভবনের দিকে ঢাকার যাত্রা ২২ বছরে আস্থার প্রতীক বসুন্ধরা সিটি, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণিল আয়োজন

মুকসুদপুরে পিয়াজের সাথে শত্রুতা। কৃষকের ক্ষতি

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৬.১৬ পিএম
  • ১৩৯ Time View
178

কালের খবরঃ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় ষড়যন্ত্র করে পিয়াজের জমিতে পচনশীল ঔষধ প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভুক্তভোগী পিয়াজ চাষি কৃষকরা।সরেজমিনে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের ইমরান ডাক্তার, বসার মিয়া, আজাদ ফকিরসহ কয়েকজন কৃষক মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ও পশারগাতী ইউনিয়নের সুরুপী মৌজার প্রায় ১০–১৫ একর জমি লিজ নিয়ে পিয়াজ চাষাবাদ করছিলেন। এই জমিতে প্রথমে সুন্দর পিয়াজ চাষ দেখতে পাওয়া গেলেও ১৫–২০ দিন আগে রাতে কে বা কারা ৮–৯ বিঘা জমিতে পচনশীল ঔষধ প্রয়োগ করে। এর ফলে পিয়াজের গাছ ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে এবং কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আজাদ ফকিরের ছেলে জাহিদ ফকির পশারগাতী ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের হান্নু শেখকের বিরুদ্ধে মুকসুদপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এঘটনার পর মুকসুদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিজানুর রহমান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পিয়াজের জমি পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, পিয়াজ ক্ষেতের পরিস্থিতি দেখে তিনি মনে করছেন, জমিতে প্যারাকুয়েট নামক আগাছা নাশক ঔষধ প্রয়োগ করা হয়েছে। এর ফলে পিয়াজ গাছ শুকিয়ে মারা যাচ্ছে এবং পিয়াজ নষ্ট হয়ে যাবে। এরফলে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হতে পরেন।কৃষি কর্মকর্তা আরও জানান, ক্ষতির পরিমাণ কমাতে কৃষকরা কারবেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক ব্যবহার করতে পারেন, এবং দুইদিন পরপর স্প্রে করলে কিছুটা ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি দপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আহম্মেদ কুদ্দুস এবং স্থানীয় পিয়াজ চাষীরা। জমির মালিক মতিউর রহমান খান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন এবং ক্ষতিকর কাজের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Advertise

Ads

Address

Office : Sheikh Fazlul Haque Moni Stadium (2nd floor), Gopalganj-8100 Mobile: 01712235167, Email: kalerkhabor24.com@gmail.com
© All rights reserved 2022

Design & Developed By: JM IT SOLUTION