বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টুঙ্গিপাড়ায় কৃষকদের থেকে বোরো ধান সংগ্রহ কর্মসূচির উদ্বোধন কোটালীপাড়ায় উদ্বোধন করা হয়েছে ৩ দিনব্যাপী কবি সুকান্ত মেলা। গোপালগঞ্জে দেড় মাসেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ গৃহবধূর গোপালগঞ্জে বিভিন্ন আয়োজনে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম জোরদার করাতে গোপালগঞ্জে গণমাধ্যমের সাথে প্রেস ব্রিফিং টুঙ্গিপাড়ায় বিধবা নারীর ২ বিঘা জমির ধান কেটে দিলেন এমপি জিলানী গোবিপ্রবিতে বিভিন্ন বিভাগে আধুনিক শিক্ষা সরঞ্জাম সংযোজন গোপালগঞ্জে শিশু ধর্ষনকারীর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান গোপালগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ইউপি সদস্যসহ আহত ১৩ কাশিয়ানীতে মোটরসাইকেল ধাক্কায় অজ্ঞাতনামা পথচারী নিহত

কোটালীপাড়ায় ৩০ মন ওজনের‘কালা পাহাড়’ দাম হাকিয়েছে ১০লাখ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২, ৪.৫৫ পিএম
  • ৫৪৫ Time View
107

কোটালীপাড়া প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলাবাসীর নজর কেড়েছে ৩০মন ওজনের ষাঁড় ‘কালা পাহাড়’।এই ষাঁড়টির মালিক উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের দক্ষিণ মান্দ্রা গ্রামের খামারী হাবিবুর রহমান শেখ।বিগত ৪বছর ধরে হাবিবুর রহমান শেখ এই হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টি লালন পালন করেছেন। এখন তিনি কোরবানী উপলক্ষে এই ষাঁড়টি বিক্রি করতে চাচ্ছেন। ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার লোকজন এসে ভিড় করেন খামারী হাবিবুর রহমানের বাড়ি। তবে এখন পর্যন্ত এই ষাঁড়টির কোন ক্রেতা দাম হাকাননি বলে  জানিয়েছেন এই খামারী।

৫ফুট ৭ইঞ্চি উচ্চতা ও ৮ফুট লম্বা এই ষাঁড়টির ওজন ৩০মন। ষাঁড়টি দেখতে কালো বর্ণের হওয়ার কারণে খামারী হাবিবুর রহমান শেখ এর নাম দিয়েছেন ‘কালা পাহাড়’।

কাঁচা ঘাস, খৈল, ভূষি, ভুট্টা, ডালের গুড়া, খড়, চিটাগুড় খাওয়াইয়ে প্রাকৃতিক ভাবে ষাঁড়টি লালন পালন করেছেন বলে জানিয়েছেন খামারী হাবিবুর রহমান শেখ।তিনি বলেন, ৪বছর ধরে ষাঁড়টি লালন পালন করতে আমার প্রায় ৭লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন ষাঁড়টির পিছনে আমার ৮শত টাকা খরচ হচ্ছে। আমি ১০লক্ষ টাকা হলে ষাঁড়টি বিক্রি করবো।

মান্দ্রা গ্রামের আকরামুজ্জামান শেখ বলেন, আমার জীবনে আমি এতো বড় গরু দেখেনি। আমার মনে হয় কোটালীপাড়ার মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় গরু। হাবিবুর রহমান অনেক কষ্ট করে এই গরুটি লালন পালন করেন। তিনি যদি এই গরুটি এখন ভালো দামে বিক্রি করতে না পারেন তাহলে তিনি ক্ষতির সম্মূখীন হবেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ কুমার দাশ বলেন, হাবিবুর রহমানের মতো অনেক খামারীই আমাদের কাজ থেকে পরামর্শ নিয়ে ষাঁড় পালন করেছেন। এরা যদি এ বছর এই ষাঁড়গুলো বিক্রি করে লাভবান না হয় তাহলে আগামীতে এদের মতো অনেকেই ষাঁড় পালনে আগ্রহ হারাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Advertise

Ads

Address

Office : Sheikh Fazlul Haque Moni Stadium (2nd floor), Gopalganj-8100 Mobile: 01712235167, Email: kalerkhabor24.com@gmail.com
© All rights reserved 2022

Design & Developed By: JM IT SOLUTION