রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ‘স্বপ্ন ফেরিওয়ালা’ দিল পঞ্চাশ পরিবারকে বিভিন্ন উপকরণ মাঠের লড়াইয়ে নামছে ১০ বিশ্ববিদ্যালয়, কবে কার খেলা? টেস্ট খেলুড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের আগমনে নতুন পরিচিতি আনভীর স্টেডিয়ামের গোপালগঞ্জে দরজা ভেঙ্গে নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে আরামবাগকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ঢাকা সিটি ক্লাব গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আহত ২ পুলিশ সদস্য দুই বাংলাদেশির প্রাণ রক্ষা হলো না, দূতাবাসের উদ্যোগ কতটা কার্যকর ছিল? দুর্নীতির লাগাম টানতে বদলি ও পদায়নে লটারি পদ্ধতি লক্ষ্মীপূজা ঘিরে গোপালগঞ্জে জমজমাট প্রতিমার হাট, বেচাকেনায় ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা বাংলাদেশ ফুটবল লিগ! সৈয়দ আলী রেজার জোড়া গোলে আবাহনীকে হারিয়ে ব্রাদার্স ইউনিয়নের প্রথম জয়

কোটালীপাড়ায় ৩০ মন ওজনের‘কালা পাহাড়’ দাম হাকিয়েছে ১০লাখ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২, ৪.৫৫ পিএম
  • ৬৩৯ Time View
264

কোটালীপাড়া প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলাবাসীর নজর কেড়েছে ৩০মন ওজনের ষাঁড় ‘কালা পাহাড়’।এই ষাঁড়টির মালিক উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের দক্ষিণ মান্দ্রা গ্রামের খামারী হাবিবুর রহমান শেখ।বিগত ৪বছর ধরে হাবিবুর রহমান শেখ এই হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টি লালন পালন করেছেন। এখন তিনি কোরবানী উপলক্ষে এই ষাঁড়টি বিক্রি করতে চাচ্ছেন। ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার লোকজন এসে ভিড় করেন খামারী হাবিবুর রহমানের বাড়ি। তবে এখন পর্যন্ত এই ষাঁড়টির কোন ক্রেতা দাম হাকাননি বলে  জানিয়েছেন এই খামারী।

৫ফুট ৭ইঞ্চি উচ্চতা ও ৮ফুট লম্বা এই ষাঁড়টির ওজন ৩০মন। ষাঁড়টি দেখতে কালো বর্ণের হওয়ার কারণে খামারী হাবিবুর রহমান শেখ এর নাম দিয়েছেন ‘কালা পাহাড়’।

কাঁচা ঘাস, খৈল, ভূষি, ভুট্টা, ডালের গুড়া, খড়, চিটাগুড় খাওয়াইয়ে প্রাকৃতিক ভাবে ষাঁড়টি লালন পালন করেছেন বলে জানিয়েছেন খামারী হাবিবুর রহমান শেখ।তিনি বলেন, ৪বছর ধরে ষাঁড়টি লালন পালন করতে আমার প্রায় ৭লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন ষাঁড়টির পিছনে আমার ৮শত টাকা খরচ হচ্ছে। আমি ১০লক্ষ টাকা হলে ষাঁড়টি বিক্রি করবো।

মান্দ্রা গ্রামের আকরামুজ্জামান শেখ বলেন, আমার জীবনে আমি এতো বড় গরু দেখেনি। আমার মনে হয় কোটালীপাড়ার মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় গরু। হাবিবুর রহমান অনেক কষ্ট করে এই গরুটি লালন পালন করেন। তিনি যদি এই গরুটি এখন ভালো দামে বিক্রি করতে না পারেন তাহলে তিনি ক্ষতির সম্মূখীন হবেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ কুমার দাশ বলেন, হাবিবুর রহমানের মতো অনেক খামারীই আমাদের কাজ থেকে পরামর্শ নিয়ে ষাঁড় পালন করেছেন। এরা যদি এ বছর এই ষাঁড়গুলো বিক্রি করে লাভবান না হয় তাহলে আগামীতে এদের মতো অনেকেই ষাঁড় পালনে আগ্রহ হারাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Advertise

Ads

Address

Office : Sheikh Fazlul Haque Moni Stadium (2nd floor), Gopalganj-8100 Mobile: 01712235167, Email: kalerkhabor24.com@gmail.com
© All rights reserved 2022

Design & Developed By: JM IT SOLUTION