শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংবাদ সম্মেলন করে টুঙ্গিপাড়ায় কৃষক লীগ নেতার পদত্যাগ গোপালগঞ্জে ১০০% ফ্রি ও ফেয়ার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে- জেলা প্রশাসক টুঙ্গিপাড়ায় ইজিবাইক-মাহেন্দ্র মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত ৬ গোপালগঞ্জে জমি-জমা বিরোধের জেরে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষ চাঁদা না দেয়ায় কাশিয়ানীতে শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের লাঞ্ছিত । প্রতিবাদে মানববন্ধন কাশিয়ানীতে জমির টাকার লোভে বাবা-মাকে জ্যান্ত কবরের চেষ্টা, গ্রেপ্তার দুই ছেলে সিরাজুল ইসলাম সিরাজের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা ৫০০ শীতার্ত মানুষ পেল গোপালগঞ্জ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কম্বল সনাতনীদের ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আহবান এস এম জিলানীর স্বতন্ত্র প্রার্থী উৎপল বিশ্বাসের মনোনয়ন পত্র বৈধ

বিনাধান-২২ চাষে লাভবান গোপালগঞ্জের কৃষক

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০২৪, ১.১৬ পিএম
  • ৩০২ Time View

কালের খবরঃ

বালাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত বিনাধান-২২ আমন মৌসুমের একটি আগাম জাত । জাতটি উচ্চ ফলনশীল। স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন এ ধানের দানা লম্বা ও চিকন। নাজিরসাইল টাইপের বিনাধান-২২ এর বাণিজ্যিক আবাদ করে  গোপালগঞ্জের কৃষকরা লাভবান হয়েছেন । প্রতি বিঘায় এ জাতের ধান ২০ থেকে ২২ মন ফলন দিয়েছে। বিঘা প্রতি এ ধান আবাদে খরচ হয় ১০ হাজার টাকা। বিক্রি নেমেছে ২৪ হাজার টাকা থেকে ২৬ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত । বিঘায় লাভ হয়েছে ১৪ হাজার টাকা থেকে ১৬ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত । বাণিজ্যিক সাফল্যে জেলায় এ ধানের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

বিনা গোপালগঞ্জ উপ-কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ কামরুজ্জামান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, আমন মৌসুমে গোপালগঞ্জ জেলায় ২৫টি প্রদর্শনী প্লটের  কৃষক বিনাধান-২২ জাতের আবাদ করেন। তাছাড়া কৃষকের কাছে সংরক্ষিত বীজে জেলার আরো অন্তত ২৫ হেক্টর জমিতে এ ধানের আবাদ হয়েছে । বিঘায় এ ধান ২০ থেকে ২২ মন ফলন দিয়েছে। হেক্টরে ফলেছে ৬ টন। এ ধানে রোগ বালাই তেমন নেই। উৎপাদন খরচ বিঘায় মাত্র ১০ হাজার টাকা। ১ বিঘা জমির ধান বিক্রি করে কৃষক ১৪ হাজার টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করেছেন । জেলায় বাণিজ্যিক চাষাবাদে লাভজনক এ ধানের আবাদ প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

উচ্চ ফলনশীল এ ধানের জীবন কাল ১১২ দিন থেকে ১১৫ দিন। ক্ষেত থেকে এ ধান কেটে কৃষক মসুর বা সরিষা আবাদ করতে পারেন। এ ধানের বদৌলতে কৃষক একই জমিতে বছরে ৩ থেকে ৪টি ফসল করতে পারছেন।

কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর গ্রামের কৃষক হাসান মৃধা বলেন, আমি ১ বিঘা জমিতে প্রদর্শনী প্লট করেছি। বীজ, সার, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়েছে বিনা গোপালগঞ্জ উপকেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। তাদের পরামর্শে আবাদ করে বিঘায় ২২ মন ফলন পেয়েছি। হিসাব করে দেখেছি ১ বিঘা জমিতে এ ধান চাষে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ১ হাজার ২শ’ টাকা মন দরে ধান বিক্রি করেছি। এতে আমার নীট লাভ হয়েছে ১৬ হাজার ৪শ’ টাকা। এ ধানের  চাল নাজিরসাইলের মতো। খেতে সুস্বাদু। তাই বাজারে এ ধান একটু বেশি দামে বিক্রি করতে পেরেছি।আগামীতে এ ধানের চাষাবাদ বৃদ্ধি করব।

একই গ্রামের কৃষক রাজ্জাক খন্দকার বলেন, আমরা লাভজনক আগাম জাতের এ ধানের আবাদ বেশি বেশি করে করতে চাই। সেজন্য বিএডিসিকে পর্যাপ্ত বীজ সরবরাহ করতে হবে। আগাম এ জাতের ধান করার পর একই জমিতে বছরে ৩/৪ টি ফসল করতে পারি । এতে ফসলের উৎপাদন বাড়ে । সেই সাথে আমাদের আয় বৃদ্ধি পায়।

বিনা গোপালগঞ্জ উপ-কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৌরভ অধিকারী বলেন, এ ধানের  গাছ শক্ত বলে মোটেই হেলে পড়ে না। ভাল পরিচর্যা পেলে এ ধান হেক্টর প্রতি ৬.১ টন থেকে ৬.৫ টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম। স্থানীয় জাত সেখানে বিঘাপ্রতি মাত্র ৬ থেকে ৮ মন ফলন দেয়। আবাদে সময় লাগে ১৫০ দিন। আগাম ও স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন এ ধানের আবাদ করে কৃষক বিঘাপ্রতি ২০/২২ মন ফলন পেয়ে লাভবান হন। পাশাপাশি বাজারে কমদামে চিকন চাল পান ভোক্তা ।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Advertise

Ads

Address

Office : Sheikh Fazlul Haque Moni Stadium (2nd floor), Gopalganj-8100 Mobile: 01712235167, Email: kalerkhabor24.com@gmail.com
© All rights reserved 2022

Design & Developed By: JM IT SOLUTION